যে উপায়গুলো পরীক্ষার সময় আপনাকে সুস্থ রাখবে

পরীক্ষার সময় সুস্থ থাকার উপায় সম্পর্কে আমরা অনেকেই গুগলে সার্চ করে থাকি।কারন, পরীক্ষার মাঝে যে জিনিসটা বেশি প্রয়োজন তা হলো আমাদের স্বাস্থ্য।কথায় আছে "শরীর ঠিক থাকলে সব ঠিক নয়তো শরীর অসুস্থ পছন্দের জিনিসটাও তখন বিরক্ত লাগে" আর পরীক্ষার মাঝে যদি শরীর খারাপ হয় তবে তো কথায় নেই।
পরীক্ষার-সময়-সুস্থ-থাকার-উপায়
তাই পরীক্ষার মাঝে শরীর সুস্থ রাখাটা জরুরি কিন্তু কিভাবে? এই টপিক নিয়েই আলোচনা করতে চলেছি আজকের ব্লগে।তাই যাদের সামনে পরীক্ষা রয়েছে তারা অবশ্যই মনোযোগ সহকারে আর্টিকেলটি পড়বেন যেন ব্লগে দেওয়া রুটিনগুলো মেনে পরীক্ষার সময়ে সুস্থ থাকতে পারেন।তবে চলুন শুরু করা যাক।

পেজ সূচিপত্রঃ পরীক্ষার সময় সুস্থ থাকার উপায়

পরীক্ষার সময় সুস্থ থাকার উপায়

পরীক্ষার সময় সুস্থ থাকার উপায় টপিক নিয়ে আলোচনা বিশাল  কারন, এটি জনপ্রিয় জিজ্ঞাসা গুলোর মাঝে একটা।বিশেষত যারা শিক্ষার্থী ভাই বোনেরা আছেন তাদের তো এইটা কমন প্রশ্ন।হওয়াটাও খুবই স্বাভাবিক।পোস্টটি যখন লিখছি তখন অক্টোবর মাস হিসাব করলে আর কিছুদিন পরে থেকেই শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে।আবার ২০২৫ সালের ভার্সিটি এ্যডমিশন পরীক্ষাও ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে।

তাই যতটা প্রয়োজন ভালো প্রস্তুতি ততটাই প্রয়োজন সুস্থ থাকাটা কারন যদি শরীর সুস্থ না থাকে তবে পরীক্ষার প্রিপারেশন খারাপ হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।আর এর পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ে মানসিক চাপের কারনে বা টেনশনে।এসময়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অনেকেই পরীক্ষার চিন্তায় ঘুমাতে পারেন না, অনেকেই খেতে পারেনা, আবার অনেকের জ্বর আসে সমস্যার কথা বলতে গেলে বলে শেষ করা যাবেনা।কিন্তু এর কারনটা কি? কখনো কি ভেবে দেখেছেন?সত্য বলতে আমিও এমন অনেক সমস্যার সম্মুখিন হতাম সেহেতু বলতে পারেন আজকের ব্লগে আমার অভিজ্ঞতার কথাও লেখা থাকবে।

এইসব সকল সমস্যার সমাধান খুঁজে আমি যা পেয়েছি তাই নিয়ে আজকের ব্লগটি লিখেছি সুতরাং আপনারা যদি ধৈর্য নিয়ে পড়েন তবে আপনারাও আপনাদের সামনের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে পারবেন।তবে চলুন শুরু করি আজকের ব্লগ।

ভালো ছাত্র হওয়ার বৈশিষ্ট গুলো কি

আমরা সকলেই ভালো ছাত্র হতে চাই তাইনা? সকলেই চাই কারন এটি সমাজের সামনে আমাদের সম্মান এনে দেয় এবং পড়ার প্রতি আমাদের কৌশলতা বৃদ্ধি করে আবার এটি আমাদের মোটিভেট করে সৃজনশীল হওয়ার জন্য।তবে কি শুধু ভালো ভাবে পড়লেই ভালো ছাত্র হওয়া যায়? কখনোই নয় কারন ভালো ছাত্ররা শুধু পড়াতে ফোকাস করেনা।এর জন্য কিছু নিয়ম আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মেনে চলা উচিত।নিচে আমি লিখে দিচ্ছি যেন তোমাদের পড়তে সুবিধা হয়।
  • পড়াশোনায় নিয়মানুবর্তিতা থাকা
  • সময়ের অপচয় না করে এর সঠিক ব্যবহার
  • নিয়ম মেনে প্রতিদিনের পড়া চালিয়ে যাওয়া
  • স্বাস্থ্যকর বা সুস্থ জীবনযাপন করার চেষ্টা করা
  • পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করা
  • পড়াশোনা করার ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরে পড়া
  • আত্মসমালোচনা করার চেষ্টা করা
  • প্রতিদিন সময়মতো নিজেদের ধর্ম অনুযায়ি ইবাদত করা ( সালাত আদায় করা )
  • প্রতিদিন নিজের উন্নতির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া
আরেহ! থামেন এতটুকু তেই ভয় পেয়ে গেলে হবে? আচ্ছা, আর টপিক লিখবো না যদিও যতটুকু লিখেছি এইগুলো যদি মেনে চলতে পারেন তবে আপনাদের মধ্যেও ভালো ছাত্র হওয়ার গুণ গুলো ফুটে উঠবে।আর আমি বিশ্বাস করি আমাদের সকলের মাঝেই ভালো ছাত্র হওয়ার চেষ্টা আছে এবং আমাদের দ্বারা এটি হওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ।

তার আগে কমেন্টে বলে যান আপনি এই গুণ গুলোর কয়টা মেনে প্রতিদিন পড়াশোনা করেন? আর যদি আপনাদের কাছেও এর বাইরে কিছু পারসোনাল টিপস থেকে থাকে তবে সেটিও লিখে দিতে পারেন তাহলে অন্যদের এটি জেনে উপকার হতে পারে এবং সে আপনার ফ্যানও হয়ে যেতে পারে 😁।

পরীক্ষার সময় পড়ার সঠিক রুটিন জানুন

একটি পরীক্ষার ফলাফল নির্ভর করে পড়াশোনার উপরে, আর সে পড়াশোনা যদি রুটিন মাফিক হয়ে থাকে তবে একটু চেষ্টা করলেই A+ রেজাল্ট আনা সম্ভব।আমরা যদি ভালো ছাত্রদের রেজাল্টের দিকে লক্ষ্য করি তাহলে জানা যাবে তাদের এই রেজাল্ট ভালো হওয়ার পিছনে রয়েছে রুটিন মাফিক পড়াশোনা।তাহলে চলুন আপনাদের জন্যও একটা মাস্টারফুল রুটিন বানিয়ে দেওয়া যাক।
  • ভোরবেলার সেশনঃ সকালটা শুরু করুন ফজরের সালাত আদায়ের মাধ্যমে সালাত আদায় শেষ করে বাসাই এসে ভোর ৬ঃ০০টা থেকে ৮ঃ৩০টা পর্যন্ত পড়ুন।এই সময় যে বিষয় গুলো মুখস্থের বিষয় যেমনঃ রচনা,গণিতের সূত্র,গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন গুলো পড়ুন।
  • বিরতিঃ সকালে একটু হাঁটাহাঁটি করতে পারেন, যেনো মস্তিষ্ক ফ্রেশ হয়।অতঃপর সকালের নাস্তা করে ফেলুন।

  • সকালবেলার সেশনঃ নাস্তা করা হয়ে গেলে আবার ৯ঃ২০টায় পুনুরায় পড়তে বসুন এবং ১২ঃ০০টা পর্যন্ত পড়া চালিয়ে যান।
  • বিরতিঃ এইবার গোসল করে যোহরের সালাত আদায় করে ভাত খেয়ে সামান্য বিশ্রাম নিন।

  • দুপুরের সেশনঃ ২ঃ০০টা থেকে ৩ঃ৪৫টা পর্যন্ত পড়ুন।এ সময়ে সকালের মুখস্থ পড়া কে হালকা রিভিশন দিয়ে নিন।
  • বিরতিঃ আসরের নামাজ পড়ে একটু মাঠে গিয়ে হাঁটাহাঁটি বা সামান্য খেলাধুলা করতে পারেন এতে মনটা প্রফুল্ল হবে।

  • বিকেলের সেশনঃ ৪ঃ৪৫টায় মাঠ থেকে এসে আবার পড়তে বসুন এবং মাগরিবের আজানের ১০মিনিট আগে পর্যন্ত পড়তে পারেন।
  • বিরতিঃ মাগরিবের সালাত আদায় শেষে বাসাই এসে সন্ধ্যার নাস্তা করে নিন।

  • সন্ধ্যার সেশনঃ ৬ঃ০০টা থেকে ৮ঃ১৫টা পর্যন্ত পড়ুন। এসময়ে সারাদিনে যা যা পড়েছেন তা রিভিশন দিয়ে নিন।
  • বিরতিঃ এশার আজান দিলে সালাত আদায় করে বাহিরে কিছুক্ষণ হাঁটতে পারেন।এতে সারাদিনের ক্লান্তি ভাব টা আসবে না।

  • রাতের বেলার সেশনঃ এশার সময় শেষ হলে বাসাই ফিরে পড়তে বসুন এবং ভালো হয় যদি ১২ঃ০০টা পর্যন্ত পড়তে পারেন।এসময়ে গণিত বিষয়টা প্র্যাকটিস করতে পারেন কারন রাতের কাজ মনে থাকে।
  • বিরতিঃ মাঝে ১০ঃ০০টার দিকে রাতের খাবার খাওয়ার জন্য ১৫মিনিটের বিরতি নিন।
এইভাবে আপনি ভালোভাবে রুটিন মাফিক পড়ে ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব।আপনি চাইলে পমোডোরো টেকনিক ফলো করতে পারেন।এটা পড়ার প্রতি মনোযোগ কে ধরে রাখতে সহায়তা করে।

পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার দোয়া ও আমল

আপনি যদি ইসলাম ধর্মের হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিদিন সালাত আদায়ের শেষে আপনার ভালো রেজাল্টের জন্য আল্লাহ্‌-র কাছে দোয়া করে ভালো ফলাফল চাইবেন।সেই সাথে আপনারা চাইলে কিছু বিশেষ আমল করতে পারেন।নিম্নে কিছু আমল দেওয়া হলোঃ
  • "রব্বি যিদনী ঈলমা" অর্থঃ হে আমার প্রতিপালক,আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করো (সূরাঃ ত্ব-হা;১১৪)
  • "রব্বি শিহরলী সদরী ওয়াস-সিরলী আমরী,ওয়াহ্লুল ওক্বদাতাম মিল-লিসানি ইয়াফক্বাহু কওলি" অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা,আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন,আমার কাজ সহজ করে দিন এবং আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দিন, যাতে লোকেরা আমার কথা বুঝতে পারে।
পরীক্ষার-সময়-সুস্থ-থাকার-উপায়
  • "আল্লাহুম্মা লা-সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান,ওয়া আংতা তাজয়ালুল হুঝনা সাহলান ইজা শিইতা" অর্থঃ হে আল্লাহ,আপনি যা সহজ করেছেন তা ছাড়া কোন কিছুই সহজ নয়।আর যখন আপনি ইচ্ছা করেন তখন কঠিন কাজ সহজ করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বানঃ ৯৭৪)

পরীক্ষার সময় কোন খাবার গুলো আমাদের সুস্থ রাখে

অনেকেই মনে করে থাকেন পরীক্ষার মাঝে কম খেলে সময় বাঁচবে এতে করে পড়ার জন্য বেশি সময় পাবে।অনেকে তো আলসেমি করে খাবার ঠিক মতো খায় না।কিন্তু যদি এটা চলমান থাকে তবে তা আমাদের শরীরের উপর বিরূপ প্রভাব তো ফেলবেই তার সাথে ক্ষুধার কারনে এটি আমাদের মনোযোগে
ব্যাঘাত ঘটাবে।তাই যতদূর পারা যায় আমাদের স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।
  • শাক-সবজি বেশি করে খেতে হবে।
  • হাইড্রেটেড থাকতে বেশি বেশি পানি পান করতে হবে।
  • প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে যেমনঃ দুধ,ডিম,বাদাম।
  • ফল-মূল খাওয়া ভালো হবে।
  • ওটস খেতে পারেন।
  • ডার্ক চকোলেট খেতে পারেন এটি মেজাজ কে ভালো রাখতে সাহায্য করে।
এইসকল খাবার গুলো পরিমাণ মতো খাবেন,বিশেষ করে দুধ এবং ডিম বেশি খাওয়ার চেষ্টা করবেন।শরীরেরদিকে তাকিয়ে খাবারের প্রতি অনিহা দেখাবেন না কারন এসময় ব্রেনের সেল বেশি কাজ করে ফলে সময় মতো ক্ষুধা মিটানো প্রয়োজন।চলেন এইবার পড়ে নিই কোন খাবার গুলো খাওয়া যাবেনা।
  • তেল জাতীয় খাবার খাওয়া যাবেনা
  • ভাজা-পোড়া খাবার গুলো খাওয়া যাবেনা
  • চর্বি জাতীয় খাবারগুলো এড়িয়ে চলায় ভালো
  • চিনি খুব কম খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
তাহলে বুঝতেই পারলেন কি খাওয়া টা উচিত এবং কোন খাবার গুলো এড়িয়ে চলতে হবে ,এইসব নিয়ম মেনে চললেই আশা করা যায় সুস্থ থাকতে পারবেন।

যে কাজগুলো পরীক্ষার সময়  করা উচিত

এখন যে টপিকগুলো লিখে দিবো সেইগুলো আমাদের আজকের ব্লগের প্রাণও বলতে পারেন কারন,পরীক্ষার সময় যে কাজ গুলো করা উচিত এটিই যদি না জানেন তবে পরীক্ষার ফলাফল ভালো করাটা কষ্টকর হয়ে যাবে।তাহলে চলুন মনোযোগ সহকারে টপিক গুলো পড়া যাক।
  • প্রথমত মস্তিষ্ককে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন।
  • নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন।
  • পড়ার সময় মনোযোগে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এমন ডিভাইস গুলো সাইলেন্ট বা বন্ধ রাখুন।
  • ধৈর্য ধরে পড়াশোনা চালিয়ে যান।
  • সময় কে সঠিক ভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন।
  • রুটিন মাফিক পড়ার চেষ্টা করুন।
  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন অর্থাৎ ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
  • পরীক্ষার আগের রাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রি ভালো ভাবে চেক করে নিন (প্রবেশ পত্র,জ্যামিতি বক্স,ক্যালকুলেটর)

পরীক্ষার সময় মন কে ভালো রাখার উপায়

পরীক্ষার সময় যে জিনিসটা সব চেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হলো নিজের মস্তিষ্ককে ঠিক রাখা আর এটি তখনই সম্ভব হবে যখন আমাদের মন ভালো থাকবে,কারন অনেক সময় পড়তে পড়তে নিজের প্রতি বিরক্তি ভাব চলে আসে যা আমাদের জন্য খুবই সাভাবিক একটি লক্ষণ।তাই এখন আমরা জানবো কিভাবে মন ভালো রাখা যায়।
  • পরিমিত বিশ্রামের অভাবে মন সতেজ থাকেনা তাই শরীরের উপর বেশি চাপ নেওয়া যাবে না
  • একটানা পড়তে হয়তো বিরক্তি বোধ চলে আসতে পারে তাই চাইলে পোমোডোরো পদ্ধতি টি ফলো করতে পারেন
  • পড়ার মাঝে মাঝে হাঁটুন এটি ক্লান্তিবোধ আসতে দেয় না
  • মাথায় খারাপ চিন্তা আনবেন না।সবসময় ইতিবাচক ধারনা রাখবেন,আর এই বিশ্বাস রাখবেন "আপনি পারবেন"

পরীক্ষার সময় কি কি সমস্যা দেখা যায়

সারাবছর তো আমরা নিয়মিত পড়িনা তাই যখন পরীক্ষার মাঝে এমন একটানা ধৈর্য নিয়ে পড়তে যাবো তখন কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে যেমনঃ
  • শুরুতেই বলেছি একটানা পড়লে বিরক্তি বোধ আসে সেকারনে পোমোডোরো পদ্ধতি মেনে চলবেন, এই পদ্ধতি টি হলো ২৫ মিনিট পড়ার তারপর ৫মিনিট বিশ্রাম।
  • নিজের প্রতি হীনমন্যতা ভাব আসে ,এইটা থেকে দূরে থাকার জন্যও সালাত আদায় করুন আর দোয়া করুন
  • মেজাজটা একটু খিটখিটে হবে এইসময়ে তাই চেষ্টা করতে হবে কথা কম বলার।
  • আবারো বলছি ঘুমের অনিয়ম করা যাবেনা,অনেকেই পরীক্ষার মধ্যে নিয়ম মেনে ঘুমায় না যার ফলে মাথা ব্যাথা হয় তাদের
উপরের এই নিয়মের বাইরেও আরো কিছু সমস্যা রয়েছে যেমন আমার পরীক্ষার মাঝে খাবার খাওয়ার অনিয়মের কারনে আমার প্রায়ই পেট খারাপ হতো। আপনারা নিজেরাই উপলব্ধি করতে পারবেন আপনাদের কি সমস্যা হচ্ছে সে অনুযায়ি সমস্যায় পড়ে থাকলে হবে না সেটিকে কাটিয়ে উঠার চেষ্টা ক্রা লাগবে।

পরীক্ষার সময় যে কাজগুলো করা উচিত নয়

শুধু মনোযোগ সহকারে পড়ে গেলেই হবে বস! আমি জানিতো আমি যতই বলিনা কেন আপনারা ডিস্ট্রাক্ট হবেনই।কারন পড়াশোনা করতে খুব মানুষেরই ভালো লাগে।তাই চলুন জেনে নিই কোন কাজ গুলো পরীক্ষার সময় করা উচিত নয়।
  • শুরুতেই সকলেই জানেন কি বলবো।জি হ্যাঁ,হাতের মোবাইল টা রাখেন পরীক্ষার সময় প্রয়োজন ব্যতীত এইসব ডিভাইস গুলো ব্যবহার না করটাই উত্তম যেগুলো আমাদের ডিস্ট্রাক্ট করে।
  • অহেতুক বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন না।
  • পরীক্ষার হলে যাওয়ার আগে পানি জাতীয় চা-কফি পান না করাটাই ভালো।
  • পরীক্ষার হলে যাওয়ার আগে নাস্তা না করে যাবেন না।
  • পরীক্ষার আগের রাতে নতুন কিছু না পড়াটাই ভালো।
খুব কম কারন লিখে দিলাম কারন ডিস্ট্রাক্ট হতে ১০-১৫ টা কারন লাগে না যেকোন উপায়ে ডিস্ট্রাক্ট হলেই পরীক্ষা গোল্লায় যাওয়ার সম্ভবনা বেশি তাই যে কাজ গুলো লিখে দিলাম সেগুলো পরিহার করবেন পরীক্ষার সময়ে।
পরীক্ষার-সময়-সুস্থ-থাকার-উপায়
পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে হলে ভাইজান একটু কষ্ট আর স্যাকরিফাইস করতেই হবে কারন, রেজাল্ট ভালো হলে সবাই মিশতে আসবে কিন্তু খারাপ হলে দোষ শুধু তোমার একার হবে।আর এটি প্রকৃতির নিয়ম ।খারাপ দের সাথে কেউই সঙ্গ দিতে চায় না।তবে চিন্তার কোন কারন নেই আমাকে সবসময় আপনাদের পাশে পাবেন।

পরিসমাপ্তিঃ পরীক্ষার সময় সুস্থ থাকার উপায়

সুপ্রিয় পাঠকগণ "পরীক্ষার সময় সুস্থ থাকার উপায়" কিওয়ার্ডের আজকের ব্লগের একদম শেষ কথাতে চলে আসলাম।এতক্ষণ ধরে ধৈর্য নিয়ে ব্লগটি পড়ছেন সেটির জন্য আমি অবশ্যই আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং ব্লগ পড়ার প্রতি আপনাদের যে ভালোবাসা সেটি চিরকাল বেঁচে থাকুক।তাহলে আজকের ব্লগের সমাপ্তিটা এইখানেই ঘটছে। আমি আশা রাখি ব্লগে লেখা বিষয় গুলো যদি মেনে চলেন তবে পরীক্ষার চাপের মাঝেও আপনাদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে পারবেন।

তবে অবশ্যই এটি মাথায় রাখতে হবে শরীর সুস্থ রাখার মালিক মহান আল্লাহ্‌ তিনি অসুস্থতা দেন আমাদের পরীক্ষা করার জন্য তাই জ্বরে পড়লে ধৈর্য হারা হওয়া যাবেনা।আর আপনাদের যাদের সামনে পরীক্ষা আছে দোয়া করি যেন সকলের পরীক্ষা  ভালো হয়।

পরবর্তি ব্লগটি কোন বিষয়ে চান সেইটি কমেন্ট করে জানাবেন আশা রাখছি।সকলেই ভালো থাকবেন, আমার জন্য দোয়া রাখবেন,
আস সালামু আলাইকুম ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

The ClickEra এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। কারণ,আপনাদের প্রতিটি কমেন্টে আমরা নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা পাই।

comment url

Siam Sarar
Siam Sarar
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও দ্যা ক্লিকএরা ব্লগের অ্যাডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।