আপনার ব্লগের জন্য কিভাবে ব্যাকলিংক পাবেন ৩১টি লিংক বিল্ডিং কৌশল

"কিভাবে ব্যাকলিংক পাবেন সকল লিংক বিল্ডিং কৌশল" বিষয়ক আজকের ব্লগে সকলকে স্বাগতম ।আমাদের ব্লগার সাইট র‌্যাঙ্কিংয়ের জন্য ব্যাকলিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম । যদি আপনার ব্লগার সাইটের একটি লিংক অন্য কোন ওয়েবসাইটে থাকে তবে সেটি আপনার সাইটের জন্য একটি ব্যাকলিংক। এই ব্যাকলিংক কে আমরা রেফার লিংকও বলতে পারি। তবে এই ব্যাকলিংক তৈরির বিষয়টি আপনাদের কাছে জটিল মনে হতে পারে।
কিভাবে-ব্যাকলিংক-পাবেন-সকল-লিংক-বিল্ডিং-কৌশল
তাই আজকের ব্লগে কিভাবে আপনার ব্লগে ব্যাকলিংক পাবেন সকল লিংক বিল্ডিং কৌশল তা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। যেমনঃ কমেন্ট দ্বারা ব্যাকলিংক, অ্যাংকর টেক্সট, রাউন্ডআপ পোস্ট লিখে ব্যাকলিংক,ডু-ফলো ব্যাকলিংক সহ আরো বিস্তর আলোচনা নিচে করা হয়েছে আশা রাখি ধৈর্য সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়বেন।

পেজ সূচিপত্রঃ কিভাবে ব্যাকলিংক পাবেন সকল লিংক বিল্ডিং কৌশল

কিভাবে ব্যাকলিংক পাবেন সকল লিংক বিল্ডিং কৌশল

কিভাবে ব্যাকলিংক পাবেন সকল লিংক বিল্ডিং কৌশল ব্লগের শুরু তেই আপনাদের জানতে হবে এই ব্যাকলিংক বিষয়টি কি? যারা ব্লগিং করে থাকেন বা যারা প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ তাদের বুঝতে সমস্যা না হলেও যারা আসলে সবেমাত্র ব্লগার ওপেন করেছেন এবং কন্টেন্ট লিখে পোস্ট করছেন তারা হয়তো ব্যাকলিংক শুনেছেন তবে বুঝছেন না এইটি কিভাবে কাজ করে থাকে। শুরুতেই আমরা বলেছি আপনার ব্লগার সাইটের একটি লিংক অন্য কোন ওয়েবসাইটে থাকে তবে সেটি আপনার সাইটের জন্য একটি ব্যাকলিংক।

আমাদের ব্লগার সাইট র‌্যাঙ্কিংয়ের জন্য ব্যাকলিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম । তবে, এই র‍্যাংকিং পেইড ভাবেও করা যায় আবার অরগানিক ভাবেও করা যায় । আর আমাদের সাইট বা ওয়েবসাইট যাই বলিনা কেন এটি ছোট তাই পেইড কাজ আমাদের জন্য ব্যয়বহুল । তাই আমরা অন পেজেই এইসব করার মাধ্যমে আমাদের ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য প্রস্তুত করে পারবো । তবে কি শুধু অন পেজে কাজ করলেই হবে? মোটেও না ।
যদি আমাদের পোস্টগুলোকে গুগলে র‍্যাংক করাতেই হয় তবে অফ পেজেও শ্রম দিতে হবে কারন অফপেজ SEO এর জন্য যে প্রয়োজন সেটি হলো ব্যাকলিংক । আমাদের ছোট পেজের জন্য যেহেতু অরগানিক ভিউস আনবো তার জন্য ব্যাকলিংক হলো সবচেয়ে কার্যকরি মাধ্যম । আজকের ব্লগে এমনই ব্যাকলিংক বিল্ড করার কৌশল নিয়ে আমরা আলোচনা করবো যা পড়ে আপনারাও অরগানিক ব্যাকলিংক ব্যবহার করে পেজে রিচ বাড়াতে পারবেন ।

ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারবেন কিভাবে

শুরুতেই বলেছি পেজ বা পোস্ট র‍্যাঙ্কিং এর জন্য ব্যাকলিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ । যখনই আপনি একটি কন্টেন্ট লিখবেন এবং তার জন্য একটি ব্যাকলিংক তৈরি করবে, তখন গুগলে র‍্যাংক হতে বেশি সময় লাগে না। অন্যদিকে, আপনি যদি ব্যাকলিংক তৈরি না করেন তবে পোস্টটি রাঙ্ক করতে অনেক সময় লাগে। আবার এইটা ভাববেন না যে আপনি শুধু ভালো ব্যাকলিংক তৈরি করেছেন তাই আপনি র‍্যাংক করবেন ।

কুওরা, রেডইট ইত্যাদির মতো অনেক ভালো ভালো এবং নামকরা ওয়েবসাইটের নাম আমরা নিশ্চয়ই শুনে তাহবো। এসকল ওয়েবসাইটের র‍্যাংকিং ভালো তবে এগুলো ছাড়াও অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলোকে আমরা ভালো ওয়েবসাইট বলতে পারি। এবং সেখানে থেকে আপনি ব্যাকলিংক পেতে পারেন।

তবে ব্যাকলিংক কিভাবে তৈরি করবেন তা জানার আগে এর খুটিনাটি ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি । ব্যাকলিংক প্রধানত ২ ধরনেরঃ
  • নোফলো লিংক
  • ডুফলো লিংক
নোফলো লিংক আমাদের ব্লগ কে র‍্যাংক করাতে কখনো তেমনভাবে সাহায্য করবে না কারন এতে লিংক জুস পাস হয়না , লিংক জুস হলো এক ওয়েবসাইট থেকে অন্য ওয়েবসাইটে লিংক স্থাপনের একটি মাধ্যম।

তাই আমাদের মূল আলোচনা হবে ডুফলো লিংক কে নিয়ে কারন এতে লিংক জুস পাস হয় আর এর মাধ্যমেই এক ওয়েবসাইটের ডুফলো লিংক যদি আপনার সাইটে থাকে তবে সেটি গুগলে র‍্যাংক করতে সহায়তা করবে।

ব্যাকলিংক কেন করবেন তার ৮টি কারন

ব্যাকলিংক করবেন পেজের জন্য অথচ না জেনেই কি করবেন? মোটেও না তাই জেনে নিন ব্যাকলিংক কেনো করবেন ।
  • সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংকিং হবে
  • অরগানিক ভিজিটর পাচ্ছেন তার সাথে রেফারেল ট্রাফিক পাবেন
  • (DA)ডোমেইন অথরিটি এবং (PA)পেজ অথরিটি বাড়বে
  • ভিজিটর দেখে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে পারবেন
  • দ্রুত ইন্ডেক্সিং সুবিধা পাবেন
  • নেটওয়ার্কিং এবং অন্যদের সাথে সম্পর্ক তৈরি হবে
  • এস ই ও বিনিয়োগ পাবেন
  • অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন
এতগুলো সুবিধা পড়েই হয়তো বুঝতে পারছেন এর গুরুত্ব একটি ব্লগার পেজের জন্য কতটা উপকারি হবে।

SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি

এখন আসেন একটু অন্য আলোচনায় যাই অনেকক্ষণ ধরেই শুধু ব্যাকলিংক ব্যাকলিংক শুনছেন তবে এটির সাথে SEO সরাসরি জড়িত আমরা যারা ডিজিটাল মার্কেটিং করি এর কথা আমরা কমবেশি সবাই জানি। এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি বড় সেক্টর জুড়ে আছে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বা এসইও । SEO এর পূর্ণরূপ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization)।

আমরা যখন গুগলে বা অন্য কোনো সার্চ ইঞ্জিনে কিছু লিখে সার্চ করি তখন সার্চ ইঞ্জিন আমাদের অনেক গুলো ওয়েব পেইজ সাজেস্ট করে থাকে। স্বভাবত আমাদের উপরে বা প্রথমে যে সাইট গুলো আসে আমরা সেইখানে প্রবেশ কএ থাকি । আর এই ওয়েব সাইট গুলোকে প্রথম সারিতে র‍্যাংক করে নিয়ে আসার জন্যই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা হয় ।

শুরুতেই আমরা অন পেজ এসইও , অফ পেজ এসইও পড়েছিলাম সেইগুলোই হচ্ছে এসইও এর অংশ আরেকটি আছে টেকনিকাল এসইও

অন পেইজ এসইও হচ্ছে আমাদের ওয়েব সাইটের ভিতরের কাজ। অর্থাৎ যা আমরা আমাদের নিজস্ব ওয়েবসাঈটের মাঝে করে থাকি। যেমনঃurl,title,meta description,internal link etc. অর্থাৎ amader ওয়েবসাইট এর ভেতরে যে কাজগুলি করলে সার্চ ইঞ্জিন আমাদের সাইটে কে সার্চ রেজাল্টের উপরে নিয়ে আসে তাকে অন পেজ এসইও বলে। সধারানত অন পেজ এসইও করা হয় সার্চ ইঞ্জিন ও ভিজিটরদের নিয়ে।
কিভাবে-ব্যাকলিংক-পাবেন-সকল-লিংক-বিল্ডিং-কৌশল
আপনি একটি ওয়েবসাইটের সার্চ রেজাল্ট কে উপরে আনার জন্য যে পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করবেন, যা ওয়েব সাইটের ভিতরে কাজ করতে হয় নাহ, কিন্তু ওয়েবসাইটেরর বাইরে থেকে থেকে অপটিমাইজেশন করতে হয় তাই হলো অফ পেজ এসইও । যেমনঃ backlink,social media share,guest posting etc.

এই অফ পেজ এসইও এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো কনটেন্ট । লিংক বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের অর্গানিক ট্রাফিক বৃদ্ধি করাই অফ পেজ এসইও এর কাজ । টেকনিকাল এসইও নিয়ে অন্যদিন কথা বলবো যেহেতু আজকে অন পেজ, অফ পেজ এর কাজ তাই এই দুটি আপাতট জেনে রাখুন ।

কিভাবে SEO ব্যাকলিংক করতে পারবেন

এখনো হয়তো আপনাদের অনেকের কাছে ব্যাকলিংক জিনিসটা কে জটিল মনে হচ্ছে। আচ্ছা, কোন প্রকার জটিলতা ছাড়াই আমি খুব সহজেই বলার চেষ্টা করছি SEO ব্যাকলিংক হল একটি ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক।যদি আপনার ওয়েবসাইটের কোন একটি লিংক অন্য ওয়েবসাইটে থাকে তবে সেটি আপনার সাইটের জন্য একটি ব্যাকলিংক হবে।

শুরুতেও একবার বলেছি যে ব্যাকলিংককে রেফার লিংকও বলে কয়েকজন। কারণ, অন্য সাইটে আপনার সাইটের লিংক থাকার অর্থই হল এটি আপনার সাইট কে রেফার করছে।একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করছি তাহলে আরও সহজে বুঝতে পারবেন। ধরুন আপনি রাজশাহী কলেজে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেছেন । সে একই পোস্টের জন্য আরও ৮৭ জনের ইন্টারভিউ ছিল। এখন ৩ জন ব্যাক্তি আপনাকে চাকরিতে নেওয়ার জন্য আগে থেকেই রেফার করেছে।

অর্থাৎ, তারা বলেছে আপনি উক্ত কাজের জন্য কোয়ালিফাইড। আর বাকিদের জন্য ১ জন বা কেউ রেফার করেনি। এখন বলুন তো কে চাকরিটি পাবে? অবশ্যই শতভাগ নিশ্চিত যে আপনিই চাকরিটা পাবেন। এই ব্যাকলিংকও ঠিক একইভাবে কাজ করে। আপনার সাইটে যত বেশি ব্যাকলিংক বা রেফার লিংক থাকবে ঠিক তত বেশি সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংক হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে ।

ব্যাকলিংক হলো গুগলের র‍্যাংকিং সংকেত। আর তাই এসইও এর জন্য ব্যাকলিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।একটি ওয়েবসাইটের সাথে অন্য কোন সাইটের লিংক থাকলে গুগলের কাছে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। আর তখন গুগল সেটিকে সহজেই সেই সাইটের র‍্যাংকিং দেয়।

এখন যে প্রশ্নটি সর্বাধিক আসবে সেটি হলো , "ব্যাকলিংক করার সময় এংকর টেক্সট কি দিবো?"
এখন এইটা পড়ার পর অনেকে বলবেন এংকর টেক্সট আবার কি? জাস্ট রিল্যাক্স ব্রো!
এংকর টেক্সট হলো যে শব্দে আপনার লিংকটি এম্বেড করা হবে, আর এইটা আপনার কন্টেন্ট কে সঠিক ভাবে বর্ণনা করবে । তাই আপনি যদি আপনি ব্যাকলিংক করেন ভুলভাল অ্যাংকর টেক্সট দিয়ে সেক্ষেত্রে ব্যাকলিংক এর বেনিফিট পাওয়া তো দূরের বিষয় আপনার সাইট উল্টো ডাউন হওয়া শুরু করবে । বর্তমানে আমার কিছু রিসার্চ অনুযায়ী , এংকর টেক্সট এর সবচেয়ে সেফ ব্যবহার হচ্ছে ডিস্ক্রিপ্টিভ এংকর । এইটির সুবিধা হলো ইউজার শুরুতেই বুঝবে সে কোথাই যাচ্ছে ।

ব্রোকেন লিংক বিল্ড করে ব্যাকলিংক করুন

এই উপায়টি খুব সহজ এবং কার্যকরি। এইভাবে অনেক বড় অথরিটি সাইট থেকে লিংকগুলি নেওয়া যেতে পারে। ব্রোকেন লিংকগুলোকে ডেড লিংক বলা যেতে পারে। ব্রোকেন লিংক হল এমন একটি সাইটের লিংক যা আর কাজ করে না।

চলুন জেনে নেই কিভাবে ব্রোকেন লিংক বিল্ডিং করবেন প্রথমে, আপনার সাইটের ক্যাটাগরির সাথে মেলে এমন একটি সাইট খুঁজুন। তারপর ব্রোকেন লিংক ফাইন্ডারের মাধ্যমে সেই সাইটের ব্রোকেন লিংক খুঁজে বের করুন। আপনার সাথে যায় এমন কোন লিংক পেলে কাজ প্রায় অর্ধেক শেষ। যে পেজে সেই লিংক আছে সেই লিংকটি কপি করবেন ।

লিংক দেওয়া সাইটের কন্টাক্ট পেজ থেকে সাইটের মালিকের সাথে যোগাযোগ করুন। তাদেরকে তাদের পেজে থাকা ব্রোকেন লিংক সম্পর্কে জানালে তারা খুশি হবে। এবং সেই লিংকের বিকল্প হিসেবে আপনার সাইটের একটি লিংক গ্রহণ করবে।

খুশি কেন হবে? কারণ, ব্রোকেন লিংক সাইট এসইওর জন্য বেশ ক্ষতিকর। এবং যেহেতু আপনি তাদের সাইটে ব্রোকেন লিংক খুঁজে দিয়েছেন এজন্য তারা অবশ্যই খুশি হবে। এবং আপনাকে একটি দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। কিভাবে ব্যাকলিংক পাবেন সকল লিংক বিল্ডিং কৌশল এর এই পয়েন্টে আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে ব্রোকেন লিংক কাজ করে ।

অতিথি পোস্ট করুন ব্যাকলিংক এর জন্য

আমার মতে গেস্ট ব্লগিং বা অতিথি পোস্ট হলো লিংক বিল্ডিংয়ের সেরা একটি উপায়।এতে আপনি ডুফলো ব্যাকলিংক পাবেন এবং আপনি যখন একটি ভালো এবং বড় ওয়েবসাইটে গেস্ট পোস্ট দিবেন তখন আপনার সাইট স্বীকৃতি পাবে। একই সময়ে, লোকেরা আপনাকে সেই পোস্টের মাধ্যমে জানতে শুরু করে। এমনকি যদি সাইটটি ভালো হয় এবং এর ট্রাফিকও ভালো হয় তাহলে আপনি সেখান থেকেও ট্রাফিক পাবেন।

এটা ছিল বাহ্যিক বিষয়, কিন্তু এখন আমি এর প্রযুক্তিগত সুবিধাও আপনাকে বলব, আপনি যখন আপনার কুলিঙ্গ মতে একটি ওয়েবসাইটে গেস্ট পোস্ট লেখেন, তখন গুগল এর বটগুলি ডুফলো লিংকটি অনুসরণ করে এবং আপনার সাইটে যায়। এছাড়াও আস্থার স্তর বৃদ্ধির সাথে সাথে ডোমেইন কর্তৃপক্ষও বৃদ্ধি পেতে থাকে।

ইনফোগ্রাফিক্স  তৈরি করে ব্যাকলিংক করুন

বর্তমানে অনেক ব্লগার বিশ্বাস করেন যে ইনফোগ্রাফিকস লিংক নির্মাণের জন্য আরেকটি কার্যকরী পদ্ধতি। কথাটি সত্য এবং আমি এর সাথে একমত।  আমি রিকমেন্ড করি ইনফোগ্রাফিকস তৈরি করুন এবং এর পর্যাপ্ত মার্কেটিং করুন। কারণ, আপনার ইনফোগ্রাফিকসটি জনপ্রিয় হয়ে গেলে অন্যরা এটি শেয়ার করতে থাকবে এবং অনেকেই লিংক ব্যাক করবে। তবে এখানে উল্লেখ্য, আপনাকে অবশ্যই ভালো ইনফোগ্রাফিকস ডিজাইনিং জানতে হবে এবং তাতে আপডেটেড ইনফরমেশন দিতে হবে, যা পাঠকের পড়ে ভালো লাগবে এবং উপকারে আসবে।

একটি ইনফোগ্রাফিকস তৈরি করতে আপনি  আগে থেকে তৈরি টেমপ্লেট দিয়ে শুরু করতে পারেন এতে সময় বাঁচবে। একটি টেমপ্লেট বেছে নেওয়ার পরে আপনি আপনার ইনফোগ্রাফিকস তৈরি করতে ড্রাগ এন্ড ড্রপ টুল ব্যবহার করতে পারবেন। Visme এবং Canva উভয়ই অ্যাপস এই আপনাকে ছবি গ্রাফি কাল উপাদান ডেটা ভিজু্যয়ালাইযেশন এবং পাঠ্য যোগ করতে দিবে। 
আপনার ইনফোগ্রাফিকস সম্পূর্ণ করার আগে নিচে আপনার ব্লগের লোগো এবং ইউআরএল লাগাতে  ভুলবেন না। ঠিক আগের মতই আপনি ব্লগারদের কাছেও একটি আউট রিচ  ইমেইল পাঠাতে পারেন যারা বর্তমানে একটি পুরনো পরিসংখ্যানে সাথে লিংক করেছেন ।

হাইকোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরি করার উপায়

আমরা আগেই জেনেছি ব্যাকলিংক আমাদের সাইট র‍্যাংকিং এর জন্য খুবই গুরুত্তপূর্ণ একটি মাধ্যম । এখন আমরা হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক কিভাবে বানায় সে সম্পর্কে কথা বলব। শুনেই বুঝতে পারছেন হাই কোয়ালিটি অর্থাৎ এইটি কতটা প্রয়োজনীয় । কিন্তু যারা নতুন ব্লগার তারা এখনো জানেন না কিভাবে হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরি করতে হয় । কারণটি হলো লিংক বিল্ডিংটা এসইও এর একটি জটিল অংশ।

একটি সাবধানতা যেকোন ওয়েবসাইটে ব্যাকলিংক বানানোর আগে সেই ওয়েবসাইটটি ভালো করে চেক করে নিয়ে তবেই ব্যাকলিংক তৈরি করবেন । সবসময় হাই DA ডোমেইন অথোরিটি /PA পোস্ট অথোরিটি এবং কম স্প্যাম স্কোর যুক্ত ওয়েবসাইটগুলো থেকে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন । আসুন তবে শুরু করি হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক কিভাবে তৈরি করবেন ।

  • কমেন্ট থেকে ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারবেন
এইটি ব্যাকলিংক তৈরির সবচেয়ে সহজ উপায় গুলোর একটি। আপনি আপনার নীশ সম্পর্কিত অন্য যেকোনো ওয়েবসাইটের ব্লগ পোস্টে কমেন্ট করতে পারেন এবং কমেন্টে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক অ্যাড করতে পারেন। এইভাবে আপনি কমেন্টের মাধ্যমে ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারবেন ।

কমেন্ট ব্যাকলিংক তৈরি করার সময় একটি বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে ব্লগ পোস্টটি পড়বেন এবং তারপর সেইখানে আপনার ব্যাকলিংক ব্যবহার করবেন সেটি যেন উক্ত ব্লগদাতার পছন্দ হয় নতুবা তিনি আপনার সে লিংক থাকা কমেন্ট কে ডিলিট করে দিতে পারে ।

আপনি এই কমেন্টসের মাধ্যমে নোফলো ব্যাকলিংক পাবেন, তবে কমেন্ট ব্যাকলিংক থেকে ওয়েবসাইটে ট্রাফিক আসে এবং এতে মানুষ আপনার ওয়েবসাইট চিনতে শুরু করে আর ভিজিটর বাড়তে থাকে।
  • অরগানিক লিংক দ্বারা ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারবেন
আমরা শুরুতেই বলেছিলাম আমরা অরগানিক ভিজিটর নিয়ে কাজ করবো আর অরগানিক লিংক হলো এমন একটি ব্যাকলিংক যেখানে আপনাকে আর নিজে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে না বরং অন্য লোকেরা তাদের ওয়েবসাইটে আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট লিংক করে আপনাকে ব্যাকলিংক দিবে। একে লিংক আর্নিং ও বলা হয়ে থাকে। এসইওতে এই লিংকগুলো খুবই শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।

অরগানিক লিংক পেতে আপনাকে এমনভাবে কন্টেন্ট লিখতে হবে যা খুবই ভালো আর তবেই লোকেরা আপনার ব্লগে ব্যাকলিংক দেবে। গভীর গবেষণা সহ একটি ভালো আর্টিকেল লিখতে থাকেন এবং সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংক করে অর্গানিক ব্যাকলিংক পেয়ে যেতে পারেন।

শুধু এই কয়েকটি নয় আরো রয়েছে যেমনঃ কম্পিউটারের ব্যাকলিংক অ্যানালাইজ করে সম্ভব, গেস্ট পোস্টিং থেকেও ব্যাকলিং পাওয়া সম্ভব, ফোরামের মতো সাইট থেকে ব্যাকলিংক পাওয়া যায়, ইত্যাদি ।

হাইকোয়ালিটি ব্যাকলিংক এর সুবিধা সমূহ

এখন অনেকেই জিজ্ঞাসা করতে পারেন  হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরি করার সুবিধা কি? হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরি করার অনেক সুবিধা পাবেন, যার মধ্যে নিম্নে কয়েকটি আপনাদের জন্য দেওয়া হলোঃ
  • ওয়েবসাইটের র‍্যাংকিং অনেক উন্নত হয়।
  • সার্চ ইঞ্জিনে ওয়েবসাইটের ভিজিবিলিটি কোয়ালিটি বাড়ে।
  • অন্যরা আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে শুরু করে।
  • আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক/ভিজিটোর বৃদ্ধি পেতে থাকে।
  • গুগলের দৃষ্টিতে আপনার ওয়েবসাইটের রিভিও ভালো হয়।
  • তখন আপনি ফ্রিতে আপনার ওয়েবসাইট প্রচার করতে পারবেন ।
কিভাবে ব্যাকলিংক পাবেন সকল লিংক বিল্ডিং কৌশল নিয়ে নিচে আরো আলোচনা আছে ধৈর্যহারা না হয়ে পড়তে থাকুন।

নিরাপদ ব্যাকলিংক পাওয়ার পদ্ধতি

ব্যাকলিংক তৈরি করা SEO এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কিন্তু আপনি যদি সঠিকভাবে এই কাজটি করতে না পারেন তবে এটি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আজ White Hat বা বৈধ এবং উপযুক্ত পদ্ধতিতে কীভাবে লিংক তৈরি করা যায় সেটি নিয়ে এখন কথা বলব।

এটা কখনোই হবেনা যে আপনি নির্বিচারে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন আর র‍্যাংকিং এর আশা করবেন এক্ষেত্রে গুগলের কিছু আইনত বিষয় রয়েছে যা আপনাকে মেনে চলতে হবে। কিন্তু আপনি যদি তা না মেনেই নিজের ইচ্ছামতো ব্যাকলিংক তৈরি করতে থাকেন, তাহলে হতাশার জন্য প্রস্তুত থাকুন।তাহলে এখন কিভাবে আপনি সেফ ব্যাকলিংক তৈরি করবেন? চলুন এমন পাঁচটি উপায় পড়ে দেখা যাক।

যেহেতু উপরে ইনফোগ্রাফিকস, রাউন্ডআপ নিয়ে আলোচনা করেছি তাই সেইগুলো আর রিপিট করছিনা । যেটি নতুন করে বলবো যা আপনাকে নিরাপদ ব্যাকলিংক দিবে তা হলোঃ

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় সবসময় অ্যাকটিভ থাকুন
একটি ভালো কন্টেন্ট তৈরি করলে কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয় তার কোয়ালিটি তে আর বাকি অর্ধেক সম্পন্ন হয় এর মার্কেটিংয়ের উপরে। ২০২৫ সালে আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো সোশ্যাল মিডিয়া। এইখানে আপনি আপনার কন্টেন্ট প্রমোট করার মাধ্যমে ব্যাকলিংক পেতে পারবেন।

আমার পারসোনাল সাজেশন হবে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্লগিং ভিত্তিক করা । আপনি যখন সোশ্যাল মিডিয়াতে অ্যাকটিভ থাকবেন তখন আপনার লেখা শেয়ার হবে, টুইট হবে, আপনার লেখা নিয়ে কথা হবে। এর ফলাফল হিসেবে, অনেকেই হয়তো আপনার পেজটিকে তার সাইটের কোনো রিলেভ্যান্ট পেজ থেকে ব্যাকলিংক দিয়ে দিতে পারে যদি লিখা ভালো হয়।
যখন আমি লিখলাম সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভ থাকতে হবে তার মানে এইনা যে আপনি প্রতিদিন কিছুক্ষণের জন্য ফেসবুক বা টুইটারে সময় অতিবাহিত করবেন আর বাকিসব এমনিতে হয়ে যাবে। এখানে আপনার যা করা উচিত তা হচ্ছেঃ

আপনার আর্টিকেলের বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত এমন লিংকডিন বা ফেসবুক গ্রুপের সদস্য হোন এবং আপনার আর্টিকেলের লিংক সেইখানে দিতে থাকুন।
আপনার আর্টিকেলটি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইট ,যেমনঃ বিভিন্ন মাধ্যমে পোস্ট করুন।

যখন আপনি কন্টেন্টগুলো শেয়ার করবেন, অন্যরা সেটা দেখবে ,পড়বে এবং আপনার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যাবে।অনেক এসইও বিশেষজ্ঞ বলে থাকেন, আপনাকে অবশ্যই ব্যাকলিংক অর্জন করতে হবে। আমিও এখানে একমত পোষণ করি তবে এর মানে এই নয় যে সবাই হঠাৎ করেই একদম আপনার কন্টেন্টটি পেয়ে যাবে। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক মার্কেটিং স্কিল।

আপনাকে আরেকটি কথা মনে রাখতে হবে যে আপনার কন্টেন্ট শেয়ারের জন্য কাউকে অনুরোধ করার কোন দরকার নেই যদি এটি মানসম্মত হয়ে থাকে তাহলে এমনিতেই সেটি সবার মাঝে ছড়িয়ে যাবে ।
  • লিংকের জন্য জিজ্ঞাসা করতে পারেন
লিংকের জন্য জিজ্ঞাসা করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে তাদের কাছে যাওয়া যারা আমাদের কে ব্যক্তিগতভাবে জানে এবং চিনে। আবার যেসব মানুষকে আমরা জানিনা বা চিনিনা তাদের কাছে লিংকের জন্য যাওয়াটা একটু রোমাঞ্চকর হতে পারে ।তবে এই পদ্ধতি সবসময় কাজ করতে পারে এমনটি ভাববেন না।

তবে এর মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের একটি ব্র্যান্ড বা পরিচিতি তৈরি করছেন যা শক্তিশালী ও আস্থাযোগ্য হবে। যখন আপনার নাম আপনার কাজের বিষয়টির সঙ্গে মিলে যাবে তখন মানুষ মনে করবে তারা আপনাকে জানে কিন্তু দেখা যাবে আপনি কখনই তাদের সঙ্গে পরিচত নন। তারা যেকোনো সম্মেলন থেকে আপনাকে অনুসরণ করতে পারে বা আপনার নাম তারা কোনো কর্মশালার লিস্ট থেকেও পেতে পারে।

শুরুতে এ ধরনের সম্পর্ক স্থাপনের জন্য অনেক সময় দিতে হয়। তাহলে আপনি তাদের বিশ্বাস ও সম্মান সহজে অর্জন করতে পারবেন যারা আপনারই কাজের সহকর্মী। তখন দেখা যাবে আপনার আর্টিকেলটি আরো বেশি শেয়ার হচ্ছে যা আপনি কাউকে করতে অনুরোধ করেননি।

তাই বলে আবার মনে করবেন না আমি অন্যদের কাছে গিয়ে আপনাকে লিংক ভিক্ষা চাইতে বলেছি, আমি বুঝিয়েছি আপনি এইভাবে বলবেন, আমি আপনাদের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করেছি আপনারাও কি আমার জন্য ভালো কিছু করতে চান অতঃপর আপনার পেজ এর লিংক দিয়ে দেন। এইভাবে বললে উওভয়ের মাঝেই সম্মান বজিয়ে থাকবে ।

ব্যাকলিংক ছাড়াও কি পোস্ট র‍্যাংক করানো সম্ভব

এখন এই প্রশ্নটা নির্ভর করে আপনার উপর যে আপনি লো কমপিটিটিভ কিওয়ার্ড এবং হাই কমপিটিটিভ কিওয়ার্ড র‍্যাংক করাতে যদি চান তাহলে আমি বলবো অবশ্যই ব্যাকলিংক করার প্রয়োজনীয়তা অপরিসিম । কারন , আপনার অপজিশনের যদি ব্যাকলিংক করে ভালো পজিশনে থাকে তাহলে আপনি ব্যাকলিংক ছাড়া ঐ কিওয়ার্ডে খুব সহজে র‍্যাংক করাতে পারবেন না । আর যদি র‍্যাংক হয়েও যায় তা বেশীদিন স্থায়ী হবে না ।

তাই মূল কথা হচ্ছে, ব্যাকলিংক ছাড়া কেউ ই র‍্যাংকে বেশীদিন টিকে থাকতে পারবে না । ব্যাকলিংক করতে হয় অথবা অর্জন করে নিতে হয় ।

ব্যাকলিংক নিয়ে বিস্তারিত গবেষণার ফলাফল

ব্যাকলিংক নিয়ে যখন এত কথা বললাম তখন তো অবশ্যই মনে অনেক রকমের প্রশ্ন এসে থাকবে যা পাঠক হিসেবে মনে আসাটাই স্বাভাবিক । তবে চলুন কিছু গবেষণার রিপোর্ট পড়ে দেখা যাক আসলেই এর চাহিদা মার্কেটপ্লেস এর জগতে কেমন?

একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে গুগলের সাজেস্ট করা ১ম পেজে শীর্ষ ১০টি র‍্যাংক করা ওয়েবসাইটের মধ্যে ৭৭.৯% ওয়েবসাইটের কমপক্ষে ১টি ব্যাকলিংক রয়েছে। এবং শীর্ষ ৫০টি র‍্যাংক করা ওয়েবসাইটের ৯৯.১% এর অন্তত একটি ব্যাকলিংক রয়েছে।

আমরা কয়েকটি ব্লগ মাধ্যম হতে রিসার্চ করলেই দেখতে পাবো ২০১৯ সালে SEO ইন্ডাস্ট্রির মার্কেট প্রাইস ছিলো $৪৩.৩ বিলিয়ন এর ।কিন্তু ২০২০ এ তা বেড়ে $৪৭.৫ বিলিয়ন এর হয়েছে । ২০২০ এর কমে যাওয়ার কারন হচ্ছে COVID-19 বা করোনা ভাইরাস । ২০২১ সালে এটি পৌঁছানোর কথা $৭৭.৬ বিলিয়ন এ । প্রায় ১৯% গ্রোথ হতো।
কিভাবে-ব্যাকলিংক-পাবেন-সকল-লিংক-বিল্ডিং-কৌশল
এই এনালাইসিস থেকে বুঝাই যাচ্ছে SEO এর চাহিদা দিন দিন শুধু বেড়েই যাচ্ছে । যেহেতু ব্যাকলিংক SEO এর একটি গুরুত্তপূর্ণ অংশ তাহলে বুঝাই যাচ্ছে দিন দিন ব্যাকলিংকের চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে ।
তবে পার্থক্য শুধু ব্যাকলিংকের কোয়ালিটি আর কাজের পদ্ধতি । ২০০০ সালে SEO ব্যাকলিংক করার পদ্ধতি যেমনটি ছিলো সেটি কিন্তু ২০২১ সালের পদ্ধতির সাথে মিলবে না যেইটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। একই ভাবে ২০২৫-২০২৬ সালের পদ্ধতিও এক থাকবে না।
তাই, আপনি যদি সময়ের সাথে নিজেকে আপডেটেড করতে না পারেন আর এই বিষয়ে দক্ষতা অর্জন না করেন তবে অদূর ভবিষ্যতে আপনার দ্বারা এইটি করা সম্ভব হবে না , আর আফসোসের বিষয় হলো আপনি খুব সহজেই যুগের সাথে তাল না মিলাতে পেরে ঝড়ে যাবেন ।

শেষ কথাঃ কিভাবে ব্যাকলিংক পাবেন সকল লিংক বিল্ডিং কৌশল

পাঠকগণ "কিভাবে ব্যাকলিংক পাবেন সকল লিংক বিল্ডিং কৌশল" নীশের আজকের ব্লগের শেষ কথাতে চলে আসলাম ব্লগের এই জায়গাটা পড়ছেন মানেই শেষ পর্যন্ত পড়ছেন  সেটির জন্য আমি অবশ্যই আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং আপনাদের এই পড়ার প্রতি যে ভালোবাসা সেটি অমর থাকুক। তো আজকের ব্লগের সমাপ্তিটা এইখানেই ঘটছে ।

আর পরবর্তি বল্গটি কোন বিষয়ে চান সেইটি কমেন্ট করে জানাবেন আশা রাখছি । সকলেই ভালো থাকবেন, আমার জন্য দোয়া রাখবেন,
আস সালামু আলাইকুম ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

The ClickEra এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। কারণ,আপনাদের প্রতিটি কমেন্টে আমরা নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা পাই।

comment url

Siam Sarar
Siam Sarar
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও দ্যা ক্লিকএরা ব্লগের অ্যাডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।