ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে এবং তারসাথে কি কি উপায় মেনে চললে আপনার তৈরি ডিজাইন গুলোকে মানুষেরা পছন্দ করবে আপনি ট্রেন্ড করবেন আজকের সময়ে এই নিয়ে বিস্তারিত থাকছে আজকের ব্লগে।ফ্যাশন ডিজাইনার হতে চান অথচ মানুষের টেস্টবাড বুঝেন না তাহলে কিভাবে একজন সফল ডিজাইনার হতে পারবেন?
এইরকম আরো গুরুত্বপূর্ন টপিক নিয়ে আজকের আর্টিকেল টি লিখা যা পড়ে ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে এবং এইটি করতে খরচ কেমন হবে এই সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত জনাতে পারবেন তাই আপনারও লক্ষ্য হয়ে থাকে একজন সফল ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়ার তবে আজকের ব্লগটা আপনার জন্যেই।পেজ সূচিপত্রঃ ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে
- ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে
- ফ্যাশন ডিজাইন সম্পর্কে সকল বিস্তারিত তথ্য
- ফ্যাশন ডিজাইনার বলতে কি বোঝায়
- ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার যোগ্যতা
- ফ্যাশন ডিজাইন পড়তে যে বিষয় গুলো জানা দরকার
- ক্রিটিকাল থিংকিং কেনো প্রয়োজন এই কোর্সে
- ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার অনলাইন কোর্স
- বাংলাদেশের সেরা ফ্যাশন ডিজাইন ইউনিভার্সিটি তথ্য
- ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার খরচ
- বাংলাদেশে ফ্যাশন ডিজাইনাদের বেতন কত
- ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্যাশন ডিজাইন কতটুকু সফল
- বিদেশে ফ্যাশন ডিজাইন পড়তে যাওয়ার নির্দেশনা
- ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে কিছু জিজ্ঞাসা (FAQ)
- শেষ কথাঃ ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে এ বিষয়কে কেন্দ্র করে আমাদের আজকের
আলোচনা এবং পোস্টটি লিখা হয়েছে।আপনি যদি বর্তমানের ক্যারিয়ার ট্রেন্ড কে ফলো
না করে,আপনার নিজের ভিতরের সৃজনশীল ভাব কে ফুটিয়ে তুলে নিজের জন্য ক্যারিয়ার
গড়তে চান তবে ফ্যাশন ডিজাইনিং হতে পারে
আপনাদের অনেক ভালো একটি সিদ্ধান্ত।
আমরা সকলেই জানি আমাদের দেশের মোট অর্থনীতির একটি বড় অংশ আসে পোশাক শিল্প খাত
থেকে।শুধু তাই নয় আমাদের দেশে গার্মেন্টস গুলোর সুনাম তো বিশ্বব্যাপী।এইসব কিছু
সম্ভব হয়েছে পোশাক শিল্পের জন্য।আর এই ফ্যাশন ডিজাইনিং পোশাক শিল্পেরই
একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আর যারা এই ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়াশোনা করে তাদের ডিগ্রি সম্পন্ন করে সেটিকে
পেশা হিসেবে বাস্তবায়ন করে তাদের আমরা ফ্যাশন ডিজাইনার বলে থাকি।শুনতে সহজ
মনে হতে পারে,আসলে খুব একটা কঠিন কাজও নয়।কারন, কোন কাজ যদি নিজের সেরা টা দিয়ে
করতে পারেন তা করতে একটু সমস্যা হবে বটে কিন্তু সেটি কখনোই অসম্ভব নয়।
একজন ভালো ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে কিছু বিষয়ে নিজের দক্ষতা
বাড়াতে হবে।যেমনঃ
- কাপড়ের কোয়ালিটি বা কাপড় সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
- নিজের ভিতরের সৃজনশীল প্রতিভা কে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন ডিজাইন বানানোর মতো যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
- নিজেকে যুগের সাথে যায় এমন সব ট্রেন্ডের সাথে সাথে নিজেকেও আপগ্রেডেড করতে হবে।
- নিজের চিন্তাশক্তি কে যত বেশি কাজে লাগানো যাবে তত ভালো।
- আঁকানোর দক্ষতা থাকাটা মাস্ট এই কাজের জন্য।
প্রশ্ন আসতে পারে এইখানেই কি শেষ? না কখনোই
না এইসব গুণ থাকাটা জরুরি যারা এটিকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তাদের
জন্য।এইসব গুণ ভালোভাবে প্র্যাকটিস এর জন্য আপনাকে যে স্থানটি শিক্ষা দিবে
তাহলো বিশ্ববিদ্যালয় সমস্যা নেই আমি কোন ইউনিভার্সিটি টি এই কোর্স করা জন্য
ভালো সেটিও জানাবো আজকের ব্লগে।
সকল তথ্য ভালোভাবে জানতে শেষ পর্যন্ত শেষ পর্যন্ত ধৈর্য নিয়ে পড়তে থাকুন।আর সে
সাথে আপনাদের যদি এই বিষয় কে নিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে কমেন্টে
আমাদের জানাতে পারেন আর আপনার যদি কেউ এই বিষয়ে আগে থেকেই পড়ে তবে তাকেও কমেন্ট
করে জানিয়ে দিন যেন তিনি কিছু অতিরিক্ত টিপস আমাদের পাঠকদের দিতে পারে😊।
ফ্যাশন ডিজাইন সম্পর্কে সকল বিস্তারিত তথ্য
ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে যদি আপনার ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা থেকে থাকে তবে এই বিষয়ে
বিস্তারিত ধারণা রাখাটা জরুরি।এ বিষয়ে যদি আপনার উপযুক্ত ধারনা না থাকে তবে
আপনি এই কাজে আনন্দ খুঁজে পাবেন না উল্টা আপনার বিরক্তি বোধ চলে আসবে।তবে চলুন
বিস্তারিত যেনে নিই যেনো আপনি দ্রুত আপনার পেশায় নেমে যেতে পারেন।
ফ্যাশন ডিজাইন কথাটি পরে বুঝতেই পারছেন যে এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা
অর্থ বেশভূষাশৈলী নকশাকরন। আমরা যদি এর আক্ষরিক অনুবাদ বুঝতে চাই, তবে
এর অর্থ দাঁড়ায় কোন পোশাকে নান্দনিকতার ছোঁয়া লাগিয়ে সে পোশাকটিকে
আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে উপস্থাপন করা।তবে আপনারা যদি মনে করে থাকেন ফ্যাশন
ডিজাইন শুধু পোশাকের মাঝে সীমাবদ্ধ তবে আপনারা ভুল ধারনা রাখছেন।
যুগ বদলাচ্ছে সেহেতু যুগের সাথে তাল মিলিয়ে একটা মানুষের পোশাক থেকে শুরু করে
তার প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ,জুতা,ব্যাগ এমনকি শরীরে গয়নার ডিজাইনের সকল কাজ
সম্পন্ন হয় ফ্যাশন ডিজাইন দিয়ে আর এটিই ফ্যাশন ডিজাইনের মূল কাজ।
মূলত ফ্যাশন ডিজাইন আসলে এমন একধরনের শিল্প যা আমাদের দৈনন্দিন
ব্যবহৃত এক্সেসরিজ কে নান্দনিক ভাবে গড়ে তোলে সেইসাথে স্টাইলটাকে এমন ভাবে
ডিজাইন করে যেন তা যুগের সাথে মানায়।অনেকে এটিকে একপ্রকার আর্টও বলে থাকেন কারন
এতে যথেষ্ট ক্রিটিকাল চিন্তার প্রয়োজন হয়।
আচ্ছা একটা উদাহরণ দিই,আপনারা লক্ষ্য করে থাকবেন যেকোনো সেলিব্রেটি দের দেখলেই
আমাদের মনে হয় তারা যা পরিধান করে সেটিতেই তাদের মানায়। যদি লক্ষ্য করে থাকেন
তাহলে আপনাদের এইভাবনা টা আসাটা স্বাভাবিক বলে আমি মনে করি কিন্তু এইখানে আসল
খেলাটা খেলে তাদের ফ্যাশন ডিজাইনাররা।তারা তাদের এমন ভাবে ড্রেসআপ করিয়ে
দেয় যা দেখে আমরা মুগ্ধ হতে বাধ্য হই।
আপনি কোন সেলিব্রেটির ফ্যাশন সেন্সের ফ্যান কমেন্ট করে জানান তবে আমরাও তার
ফ্যাশন কে ফলো করার চেষ্টা করবো।
ফ্যাশন ডিজাইনার বলতে কি বোঝায়
ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে যেহেতু এতক্ষণ ধরে পড়ছেন তাহলে মাথায় হয়তো অনেকবারই এই
প্রশ্ন এসেছে যে একবার ফ্যাশন ডিজাইন বলছি আবার পরক্ষনেই ফ্যাশন ডিজাইনার আসলে
কাহিনীটা কি?
আরে দাদু/দাদিরা জাস্ট চিল আমি আছিতো।সব ক্লিয়ার করছি শুধু পড়ে শিখতে থাকুন।
ফ্যাশন ডিজাইনঃ ফ্যাশন ডিজাইন হলো একধরনের শিল্প যা আমাদের পোশাক
সহ আমাদের ব্যবহৃত এক্সেসরিজ কে নান্দনিক ভাবে গড়ে তোলে।মূলত এটি একটি শৈল্পিক
প্রক্রিয়া যা আমাদের পছন্দের কাপড়গুলো কে আরো আকর্ষনীয় করে গড়ে তোলে।শুরুতেও
বলেছি এটি কিন্তু শুধু পোশাকের সাথে সম্পৃক্ত নয়।
ফ্যাশন ডিজাইনারঃ আগেও বলেছি ফ্যাশন ডিজাইন কে অনেকেই আর্ট বলে
থাকে,সে অনুযায়ি ফ্যাশন ডিজাইনাররা একেক জন আর্টিস্ট এইখানে আমি চিত্রকর
বুঝাই নি আমি বুঝিয়েছি তারা এক ধরনের শিল্পী যারা আমাদের এই পোশাক সহ বাকি
এক্সেসরিজ যেমনঃ জুতা,গহনা,স্কার্ফ ইত্যাদি জিনিসপত্র গুলোতে তাদের হাতের
শৈল্পিক ছোঁয়ায় সেগুলো কে নান্দনিকভাবে গড়ে তোলেন।
ফ্যাশন ডিজাইনাররা যে শুধু পোশাক বানান এটা নয় বরং কাপড় কে কেমন ভাবে ছোট করলে
বা কতটুকু বড় রাখলে তা ব্যাক্তির সাথে যাবে এ বিষয়টিও তিনি লক্ষ্য রাখেন।তাদের
কাজ হলো একটি এক্সেসরিজ কে যতটা নান্দনিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারা যায়
ততটা না করা পর্যন্ত চেষ্টা করতে থাকা।
আশা করি শুরুতেই পার্থক্য করাটা বুঝেছেন,এক কথায় বললে ফ্যাশন ডিজাইন হলো
একটা সাবজেক্ট আর এই সাবজেক্ট পড়ে যারা এ বিষয়কে ভালোভাবে আয়ত্ত করে বাস্তবে
সেগুলোর রূপ দেন তারাই হলো ফ্যাশন ডিজাইনার।আশা করা যায় এই বিষয় নিয়ে কোন
প্রশ্ন আর থাকবে না আর যদি থেকে থাকে তাহলে কমেন্টে জানাবেন আমি যথাসাধ্য উত্তর
দেওয়ার চেষ্টা করবো।
যদিও আপনারা যদি আর্টিকেলটি সম্পূর্ন পড়েন তবে এই বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে একদম
পরিষ্কার ধারনা আসবে।
ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার যোগ্যতা
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কোন কাজ গুলো করতে হবে এই বিষয়ে জানার জন্য তো
আর্টিকেলটি পড়ছেন তবে এই ফ্যাশন ডিজাইন পড়তে যে গুনগুলো প্রয়োজন আমাদের মাঝে
আছে নাকি সেটা জেনে রাখা উচিত হবে।আর যদি এই বিষয় গুলোর স্থান শূন্য থাকে তবে
চেষ্টা করবেন সেইসব গুন গুলোকে ভালোভাবে অর্জন করার।
যদি সত্যি বলতে হয় তবে ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে শুধু গুন অর্জন করলেই হবে না
আপনার একাডেমিক যোগ্যতাও থাকতে হবে কারন,ভবিষ্যতে এটি আপনার বিদেশে ডিগ্রি করার
জন্য দরকার পড়বে এছাড়াও যেহেতু এটিকে আমরা ক্যারিয়ার হিসেবে নিবো সেকারনে আমাদের
ভার্সিটি সার্টিফিকেট-টাও ম্যাটার করবে।
ফ্যাশন ডিজাইন আপনি যেকোন বিভাগ থেকেই পড়তে পারবেন তবে যদি ব্যাকগ্রাউন্ড সাইন্স
বা আর্ট থাকে তবে কিছু সুবিধা পেতে পারেন।আপনারা কোন ভার্সিটি তে পড়লে ভালো হবে
এই নিয়েও নিচে আলোচনা রয়েছে।নিম্নে আন্ডারগ্রাজুয়েট বা গ্রাজুয়েট দের জন্য কেমন
যোগ্যতা লাগবে তা দেওয়া হলোঃ
- গ্রাজুয়েট দের জন্যঃ স্বীকৃত ভার্সিটি থেকে M.S.C in Fashion Designing এ নূন্যতম (2.50 out of 4.00) CGPA থাকতে হবে।
- আপনি যদি আন্ডারগ্রাযুয়েট হয়ে থাকেন তবে SSC/HSC উভয় পরীক্ষায় (2.00 out of 5.00) GPA পয়েন্ট থাকতে হবে।
এইসব নূন্যতম যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন আপনার ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার জন্য।অনেকে
আর্টসে বা মানবিক শাখায় পড়ছেন দেখে মনে করতে পারেন এটি আপনারা পড়তে পারবেন না
অথচ এই সাবজেক্টে মানবিক শিক্ষার্থীরাই বেশি পড়ছে।আপনি মানবিকের হলেও কোন
সমস্যা নেই।আপনার এইসব শিক্ষাগত যোগ্যতা থেকে থাকলে আপনি ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে
পড়ার যোগ্যতা রাখবেন।
ফ্যাশন ডিজাইন পড়তে যে বিষয় গুলো জানা দরকার
আপনিও যদি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হয়ে নিজের জন্য একটি ভালো ক্যারিয়ার গড়তে চান
তবে আপনাকে ফ্যাশন ডিজাইনের সকল খুঁটিনাটি বিষয়ের উপর যোগ্য পারদর্শিতা থাকরে
হবে।কারন যখনই আপনি প্রথাগত ক্যারিয়ার ছেড়ে এই ক্যারিয়ারের কথা অন্যদের জানাবেন
তখন শুরুতেই আপনাকে জাজ করা হবে।
হয়তো আপনাকে এমন সব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে যা আপনার ভিতরের কনফিডেন্স কে
নষ্ট করে দিবে।মাথায় রাখতে হবে মানুষ কি বলছে এটির দিকে যদি কান দেন তবে তবে
সফলতা যে আপনাকে ডাকছে সে ডাক কখনোই আপনি শুনতে পারবেন না।হ্যা,মানছি এইসব কথা
শুনতে খারাপ লাগবে, এক সময় আমাকেও এইরকম কথা শুনতে হয়েছে।
কিন্তু এখন আর এইসবে কান দেইনা কারন একটা কথা মাথায় গেঁথে রাখেন মানুষ কখনো
আপনাকে ভরণপোষণ করবে না তাদের কাজ শুধু বলা তারা বলবেই আপনি শুধু আপনার নিজের
কথা আর মা-বাবা'র কথা চিন্তা করে কাজ করে যাবেন।আপনার সফলতাই হবে সেইসকল
মানুষদের মুখে তালা দেওয়ার উত্তম হাতিয়ার।
সেইকারনেই আসুন জেনে নিই ফ্যাশন ডিজাইন পড়তে কোন বিষয় গুলো আমাদের জানা
দরকার।এইসব বিষয় গুলো আমি ভালোভাবে লিখে দিচ্ছি আপনি বা আপনারা চেষ্টা করবেন
এইসকল বিষয় কে নিজেদের মাঝে গ্রো করতে।আর এইসব যদি ভালোভাবে আত্মস্থ করতে পারেন
তবে আপনার জন্য একটি সুন্দর ক্যারিয়ার অপেক্ষা করছে, ইনশাআল্লাহ।
- শুরুতেই সেলাই সংক্রান্ত সকল বিষয়ের বেসিক জানতে শুরু করুন এবং তার সাথে সে অনুযায়ি প্রাক্টিক্যালি করার চেষ্টা করুন।
- কালার চয়েস সেন্স কে গ্রো করুন
- ছবি আঁকতে পারাটা মাস্ট দরকার,যদি এ বিষয়ে ব্যার্থ হন তবে ১৬ আনাই বৃথা।একজন ফ্যাশন ডিজাইনারের মূল ট্রাম্প কার্ডই হলো তার আঁকানো স্কিল সুতরাং এটিকে ভালোভাবে রপ্ত করুন।
- বর্তমান ট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা এবং এইসবের প্রতি মুহূর্তের আপডেট রাখুন।আর ট্রেন্ডের সাথে নিজের ডিজাইন গুলোকে আপডেট করুন
- ক্রিটিকাল থিংকিং করাটা অত্যাবশ্যক
- ইন্টারন্যাশনাল বা ন্যাশনাল উভয় মার্কেটের চাহিদার সাথে খাপ খায়িয়ে চলার জন্য নিজেকে তৈরি করুন।
এইসকল বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিবেন এবং যা বললাম তা জানার চেষ্টা
অবশ্যই করতে হবে আর লক্ষ্য ঠিক রেখে কাজ করলে সফলতা আসবেই,কারন আল্লাহ্
বেইনসাফ কারী নন।
ক্রিটিকাল থিংকিং কেনো প্রয়োজন ফ্যাশন ডিজাইনে
এইবার আমার নিজের পারসোনাল ফেভারিট পয়েন্টে আসলাম।ক্রিটিকাল থিংকিং কেনো
প্রয়োজন ফ্যাশন ডিজাইনে এই কথা কে আপাতত দূরে রাখছি।কিন্তু আপনারা আর্টিকেলটি
পড়তে গিয়ে লক্ষ্য করেছেন আমি অনেকবার ক্রিটিকাল থিংকিং কথাটা ব্যাবহার
করেছি।
আচ্ছা আপনারা কি ক্রিটিকাল থিংকিং বিষয় সম্পর্কে জানেন? আরেহ জানেন না আগে
বলবেন না তাহলে তো আমি শুরুতেই বলে দেই চলেন খুব কম শব্দে জেনে নিই এর
বিস্তারিত সকল তথ্য।
ক্রিটিকাল থিংকিং যার বাংলা অর্থ সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা।এর মানে বিশ্লেষণ
করলে আমরা দেখতে পাই,কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সমস্যা কে ছোট অংশে ভাগ করে উপযুক্ত
তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করে সুচিন্তিত সিদ্ধান্তে পৌছানো।
এখন প্রশ্ন করতে পারেন ভাইয়া তো এর সাথে ফ্যাশন ডিজাইনের কি সম্পর্ক?আরে
শান্তি রাখো মিত্র এত অধৈর্যের কি আছে আমি আছিতো নাকি,সব বলবো আর সব আপনাদের কে
পড়তে হবে কারণ বেস্ট হতে চাইলে এইসব জানা উচিত।চলেন জেনে নিই কেন এটি প্রয়োজন।
- এইটা আমাদের চিন্তা শক্তিকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
- এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে যেকোনো ভুল সহজে ধরতে পারবেন।
- যেহেতু আমাদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে তাই এই পদ্ধতিটি জরুরী।
- এই পদ্ধতি শিখতেও আপনাদের অনুশীলন করতে হবে আর যত বেশী অনুশীলন করবেন দক্ষতা তত বাড়বে।
তাহলে বুঝতেই পারছেন সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে এই ক্রিটিকাল থিংকিং কতটা
সহযোগিতা করে তাই আমাদের এটির প্রয়োজন পড়বে।
ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার অনলাইন কোর্স
ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার অনলাইন কোর্স আমাদের দেশে অনেক গুলো প্লাটফর্মে পড়ানো হয়ে
থাকে।আমি এদের মাঝে জনপ্রিয় কিছু সাইট আপনাদের সুবিধার জন্য দিচ্ছি।
- BGMI এটি একটি জনপ্রিয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র,এইখানে আপনাকে বাস্তবতার রূপরেখা বুঝিয়েই কোর্স সম্পন্ন করানো হবে।
- Coursera(কোর্সেরা) এই প্লাটফর্মের সবচেয়ে পজিটিভ দিক হলো এইখানের অনেকগুলো ক্লাস ফ্রি তে দেখতে পারবেন।আর টাকা দিয়ে যদি কোর্সটি শেষ করে থাকেন তবে তারা নিজেরাই সার্টিফিকেট দিবে।
এইতো গেলো অনলাইন আপনি চাইলে অফলাইনেও অনেক গুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেইখানে
এই কোর্স গুলো চলমান রয়েছে।কেই চাইলে সেইখানে গিয়েও এইগুলো করতে পারেন।
- বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি
- শহীদ এস এ মেমোরিয়াল টেক্সটাইল ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেক্সটাইল কলেজ
- BGMI অফলাইনেও কোর্স করিয়ে থাকে
এইসব প্লাটফর্মে আপনি কোর্স গুলো করতে পারবেন।আপনার পরিচিত কেউ যদি এইসব
প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হয়ে থাকে তবে তাদের কে জানিয়ে দিয়ে দিন।
বাংলাদেশের সেরা ফ্যাশন ডিজাইন ইউনিভার্সিটি তথ্য
এই টপিক টির জন্য হয়তো অনেকক্ষণ ধরে ধৈর্য নিয়ে পড়ছেন।আসলে ব্লগ জিনিসটাই এমন
যদিও আপনারা চাইলে পেজ সূচিপত্র থেকেই ডিরেক্ট এইখানে আসতে পারতেন।আবার
অনেকেই দেখা যাবে শুধু এই হেডিং পড়েই চলে যাবে।তাদের মতো পাঠকদের তো আকর্ষণ
বাড়াতে হবে নাকি বলুন।আচ্ছা আপনাদের কাছেই জিজ্ঞাসা করছি আমার ব্লগে কি আপডেট
করা যাতে পারে।
যাইহোক এই প্রশ্নের উত্তর কমেন্টে দিয়েন কারন আমি আমার টপিক থেকে সরে যাচ্ছি
এটি না জানালে আপনারা আবার আমার নামে ...... করতে পারেন 🫥।তাই চলুন আমাদের
টপিকে ফেরা যাক।বাংলাদেশের সেরা ফ্যাশন ডিজাইন ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে
সংক্ষেপে আলোচনা করছি।
বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক ফ্যাশন ডিজাইনের জন্য ইউনিভার্সিটি রয়েছে যেগুলো
তে চাইলে আপনারা ভর্তি হতে পারেন।আর প্রতিটি ভার্সিটির মান ভালো।যদিও আমি
আপনাদের জন্য বেস্টগুলোর নামই জানাবো।নিম্নে পয়েন্ট আঁকারে দিচ্ছিঃ
- BEGMA University of Fashion & Technology
- World University of Bangladesh
- Uttara University
এইসব আমাদের দেশের মাঝে সেরা ইউনিভার্সিটি ফ্যাশন ডিজাইন সাবজেক্টের
জন্য।আমার একজন নিকট পরিচিত বড় ভাই BEGMA University of Fashion &
Technology তে পড়ছে আমি তার কাছে যতদূর দেখেছি ভালোই লেগেছে।আপনারা চাইলে
এটিতে ভর্তি হতে পারেন।আর এইখানে পড়তে কত খরচ হবে তা আমি পরের টপিকে বলেছি
সেই টপিক টা পড়লে জানতে পারবেন।
ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার খরচ
ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার খরচ সম্পর্কে আপনাদের সকলের মনেই এই জিজ্ঞাসা ব্লগের শুরু
থেকে বাসা বেঁধেছে।তবে চলুন দেখি সে বাধনটা আমি খুলতে পারি কি না।এতদূর যখন
পড়েছেন তাহলে আর একটু কষ্ট করে পড়ে শেষ করেন তবে আপনাদের এই নিয়ে সকল ধারণা
ক্লিয়ার হবে।
খরচ কেমন হবে তা আসলে নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল কারন দেখা যাচ্ছে আমি বেসরকারির
কথা বলেছি আপনি সরকারিতে গিয়ে আমাকে ধরার জন্য খুঁজে বেড়াচ্ছেন তাহলে তো হলো
না।তাই চলুন অর্গানিক ভাবে জেনে নিবো সরকারি,বেসরকারি উভয়ের খরচ।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি আপনি আপনার ফ্যাশন ডিজাইন অনার্স করতে চান তবে
আনুমানিক ২ লক্ষ টাকা থেকে ৩ লক্ষ টাকার মাঝে।
অপরদিকে যদি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে গ্রাজুয়েশন করতে চান তবে খরচ পড়বে ৩
থেকে ৬ লক্ষ টাকার মতো।
বলার আমার দায়িত্ব ছিলো আমি বলেছি এখন বাকিটা নির্ভর করছে আপনি কোথাই ভর্তি
হবেন।যদি মনে হয় খরচ খুব বেশি তবে আপনি চাইলে ডিপ্লোমা করতে পারেন এতে
১ লক্ষ টাকার মতো খরচ হবে বলে ধারনা করা যায়।
বাংলাদেশে ফ্যাশন ডিজাইনাদের বেতন কত
যদি বাংলাদেশের কথা ধরি তবে আমাদের দেশে একজন মানুষের বেতন কত হবে তা নির্ভর
করে তার সার্টিফিকেট এবং তার স্কিলের উপরে।বর্তমানে আমাদের দেশের মানুষেরা
স্কিলের উপরেই বেশি জোর দিয়ে থাকছে।আপনারা মনে করছেন আমি শুধু ফ্যাশন
ডিজাইনের ক্ষেত্রে এই কথা বলেছি আসলে তা না সব চাকরির ক্ষেত্রেই সেম সিচুয়েশন।
যেহেতু এখন কম্পানি চায় আমার স্কিল তো আমাদের প্রয়োজন সেটিকে ডেভেলপ করার।আর
কোন কোন কাজ গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে তা আমি শুরুতেই বলেছি তাই আর বলছি না যারা
পড়েননি পড়ে দেখতে পারেন।
তো এখন আসি বেতন,সাধারনত বাংলাদেশের বাজারের অবস্থা অনুযায়ি ফ্রেশারদের মাসিক
বেতন ১০হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।আর অভিজ্ঞতা
যত বাড়তে থাকবে তত প্রমশন হয়ে বেতনও বাড়বে যদি অভিজ্ঞতা ৫-৮ বছর এমন হয়ে যায়
তবে বেতন ৩৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার বেশি হওয়ার সম্ভবনা আছে।
ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্যাশন ডিজাইন কতটুকু সফল
আমরা শুরুতেই পড়েছি বাংলাদেশে গার্মেন্টসের পরিমাণ অধিক তারই সাথে পোশাক শিল্প
আমাদের দেশের কে অর্থনীতি সচলে রেখেছে।তাই আপনি যদি একজন ভালো ফ্যাশন ডিজাইনার
হতে পারেন তবে আপনার জন্য
- টেক্সটাইল মিলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
- গার্মেন্টসে চাকরি করতে পারবে ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে
- বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও চাকরি পেতে পারেন
- আর যদি এইসব কে প্যারা মনে হয় তবে বিসিএস কোয়ালিফাই করে ভার্সিটির প্রভাষক হতে পারার সম্ভাবনা আছে।
মোট কথা আপনার ক্যারিয়ার নির্ভর করছে আপনার সৃজনশীলতা ,পরিশ্রম এবং আপনার
দক্ষতার উপরে।যদিও পড়ে আমরা বুঝতেই পেরেছি ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্যাশন ডিজাইন
সফল একটি পেশা।এখন আপনাদের দক্ষতায় প্রমাণ দিবে এটি আপনার জীবনে কতটুকু সফলতা
নিয়ে আনছে।
আর শুরুর দিকে যদি বেতন কম হয় তবে মন খারাপ করবেন না কেউই লক্ষ টাকার চাকরি
পেয়ে কাজে প্রবেশ করেনা ধীরে ধীরে সে উপরে ওঠে তাই আপ্নাকেও ধৈর্য ধারণ করতে
হবে আর বিশ্বাস রাখতে হবে রুজির মালিক একমাত্র আল্লাহ।
আমার দোয়া রইল আপনাদের প্রতি যারা এটি কে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চাচ্ছেন এবং
এইখানে হতে ইনকাম করতে চাচ্ছেন, আপনাদের সকলের ইচ্ছাকেই আল্লাহ্ তায়লা কবুল
করুক।🤲
বিদেশে ফ্যাশন ডিজাইন পড়তে যাওয়ার নির্দেশনা
বিদেশে ফ্যাশন ডিজাইন পড়তে যাওয়ার জন্য তেমন কোন বাঁধা নেই শুধু আপনাকে উচ্চ
মাধ্যমিক পাশ করতে হবে এর পরে আপনি চাইলে আপনার পছন্দমতো দেশে যেই দেশে আপনি
পড়তে যেতে চাচ্ছেন আরকি, সে দেশে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন।
বাকিটা আপনি এজেন্সি থেকেই বুঝে নিতে পারবেন বা আমার সাজেশন হবে যদি আপনার
পরিচিত অভিজ্ঞ কেউ থাকে তবে তাকে নিয়ে এইসব কিছু কে ঠিক ভাবে চেক করা।কিছু কিছু
দেশের জন্য IELTS/TOEFL দরকার পড়ে তাই সেইটা লক্ষ্য করে জেনে নিবেন।
আপনি যদি ভালো কোন দেশে এই ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে পড়া শেষ করতে পারেন তবে ফ্রেশার
হিসেবে আপনি প্রতিমাসে ৩৫০০ থেকে ৪০০০ ডলার আয় করতে পারবেন।আর অভিজ্ঞতা ও
দক্ষতা বাড়ে তবে প্রতিবছরে ১ লক্ষ্য ডলার পর্যন্ত আপনার ইনকাম হতে পারে বলে
ধারনা করা যায়।
আমাদের দেশের চেয়ে বিদেশে এই সাবজেক্টের চাহিদা অনেক।তাই যারা বিদেশে ফ্যাশন
ডিজাইন পড়তে যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে তাদের উচিত প্রয়োজনীয় সব তথ্য ফি পরিশোধ
করে দিয়ে হালালভাবে ডিগ্রি নিতে যাওয়া।
ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে কিছু জিজ্ঞাসা (FAQ)
মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব তাদের জানার কোন শেষ নেই।মূলত তারা চিন্তা করতে পারে
সেইকারনেই তারা অন্য সকল প্রাণী থেকে আলাদা।হঠাৎ এই বিষয় নিয়ে কথা বলার কারন এত
কিছু লিখে দেওয়ার পরেও যেহেতু পাঠকরা কৌতূহল প্রেমি হয়ে থাকেন তাই কিছু
জিজ্ঞাসা এসে যায় তাদের মনে তাই এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো যা
আপনারা গুগলে সার্চ করে থাকেন।
ফ্যাশন আসলে কত প্রকার?
উত্তরঃ প্রধানত ৩ প্রকার
কে বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাশন ডিজাইনার?
উত্তরঃ বিবি রাসেল
কে বাংলাদেশের বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার?
উত্তরঃ মাহীন খান
বাংলাদেশে ফ্যাশন ডিজাইনাদের বেতন কত?
উত্তরঃ শুরুতে ১০হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
শেষ কথাঃ ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে
ধৈর্যশীল পাঠকেরা "ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে" কি-ওয়ার্ড সম্পর্কিত
আজকের ব্লগের একদম শেষ কথাতে চলে আসলাম।আমি চেষ্টা করেছি ফ্যাশন
ডিজাইনার হতে হলে কি কি পদ্ধতিগুলো শিখতে হবে? এটি শিখতে কত টাকা খরচ হবে?
এইসব টপিক নিয়ে সংক্ষেপে পূর্ণ ধারনা দেওয়ার যেনো, একটি ব্লগ পড়লেই এটি
সম্পর্কে আপনাদের সম্পূর্ণ জ্ঞান লাভ হয়।
প্রথাগত পেশা ছেড়ে এটি নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আসলেই অনেক হিম্মতের এবং ধৈর্যের
প্রয়োজন।আমি আশা রাখি আপনারা ফ্যাশন ডিজাইনার হয়ে যাওয়ার পরেও নিজের
চিন্তাশক্তি কে বিকশিত করতে থাকবেন নতুন নতুন ডিজাইন বানানোর জন্য এটি অবশ্যই
প্রয়োজন।সবশেষে একটি কথায় বলবো চেষ্টা করতে থাকবেন,নিজের প্রতি বিশ্বাস থাকলে
জয় অনিবার্য।
ডিজাইন মেকিং এর চক্করে পরবর্তি ব্লগটি কোন বিষয়ে চান সেইটি কমেন্ট করে
জানাতে আবার ভুলে যাইয়েন না 😁।সকলেই ভালো থাকবেন, আমার জন্য দোয়া রাখবেন,
আস সালামু আলাইকুম।



The ClickEra এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। কারণ,আপনাদের প্রতিটি কমেন্টে আমরা নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা পাই।
comment url